এক দশক আগে দেশের খেলনা শিল্পের প্রায় ৯০ শতাংশই ছিল আমদানিনির্ভর। বর্তমানে এ শিল্পের প্রায় ৯০ শতাংশ চাহিদা দেশে উৎপাদিত পণ্য দিয়ে পূরণ করা হয়। প্লাস্টিকনির্ভর এ শিল্পের উৎপাদকরা এখন দেশে তৈরীকৃত খেলনা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি করছেন। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে এ শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কহার কমানো ও প্লাস্টিক শিল্পনগরী গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
রাজধানীর ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা। প্লাস্টিক খেলনা শিল্পের প্রদর্শনী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিপিজিএমইএ)। ২২ ও ২৩ মে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘শোকেসিং অ্যান্ড সোর্সিং শো অন প্লাস্টিক টয় ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। বিপিজিএমইএর সঙ্গে যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসি৪জে) প্রকল্প।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিপিজিএমইএর সভাপতি সামিম আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিপিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি কেএম ইকবাল হোসেন, সহসভাপতি কাজী আনোয়ারুল হক, মো. এনামুল হক ও মহাসচিব নারায়ণ চন্দ্র দে।